• ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal Politics

রাজ্য

ফলতায় ঐতিহাসিক 'ফল', মোদীর বার্তা— ‘গণতন্ত্র জিতেছে, ভয়-হুমকি পরাজিত’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে আর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন। বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার রেকর্ড ব্যবধানের জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন আলোড়ন। এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে এই জয় শুধু একটি আসন দখলের সাফল্য নয়, বরং তা রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের উপর মানুষের সিলমোহর বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।ফলাফল ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ফলতার মানুষ তাঁদের রায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে, ভয়ভীতি ও হুমকির রাজনীতি পরাজিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিপুল জয় পশ্চিমবঙ্গবাসীর বিজেপির প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন।এ বারের নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল স্পষ্ট। রাজ্যে সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের আবহে ফলতায় গেরুয়া শিবিরের জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে এত বিশাল ব্যবধান ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেককেই বিস্মিত করেছে। বিশেষ তাৎপর্যের বিষয়, তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেমে যায় চতুর্থ স্থানে, আর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে সিপিএম।রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের মাত্র দুসপ্তাহের মাথায় এই নির্বাচন হয়েছিল। গত ৯ মে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একাধিক জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প চালু, সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে যাত্রা, এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের মতো সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বার্তায় এই পদক্ষেপগুলির উল্লেখ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছে, তা সাধারণ মানুষের নজর এড়ায়নি। তাঁর কথায়, মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গবাসী আমাদের উপর আরও একবার আস্থা রেখেছেন। আমরা আগামী দিনেও তাঁদের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাব।ফলতার এই ফলাফল বিধানসভার অঙ্কে খুব বড় পরিবর্তন না আনলেও রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২০৭ থেকে বেড়ে ২০৮ হয়েছে। তবে তার থেকেও বড় বার্তা হল সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের প্রতি জনসমর্থনের প্রাথমিক পরীক্ষায় গেরুয়া শিবির উতরে গেল স্বচ্ছন্দে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই জয় স্পষ্ট করে দিল পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি ইউরোপ সফরে নেদারল্যান্ডসে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী যে আবেগঘন বার্তা দিয়েছিলেন, তারই যেন বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল ফলতার ভোটবাক্সে।ফলতার রায় এখন শুধু একটি উপনির্বাচনের ফল নয়; তা পশ্চিমবঙ্গের আগামী রাজনৈতিক সমীকরণের দিকনির্দেশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিজেপির দাবি, এ জয় পরিবর্তনের পথে রাজ্যের আরও এক ধাপ অগ্রগতি।

মে ২৪, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কাণ্ডারী মুকুল রায়! ছায়াসঙ্গী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। অনেকেই স্মৃতিচারণ করছেন, আর রাজনীতির মানুষজন মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসে নেতা হিসাবে মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি মমতাকে দিদি বলে সম্বোধন করতেন, আর মমতাও তাঁকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। প্রতি বছর ভাইফোঁটা দেওয়ার রীতি ছিল, যদিও শেষ কয়েক বছরে নানা কারণে তা থেমে গিয়েছিল।মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯৮ সালে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হয়, তিনি সর্বদা পাশে ছিলেন। দল গঠনের সময় থেকে প্রতিটি ব্লক, বুথ, জেলা এবং শহরে তৃণমূলের পরিচয় দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের মুখ।২০০৬ সালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন এবং দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে প্রথমবার হেরে যান। এরপরও তাঁর লড়াকু মনোবল কখনও হ্রাস পায়নি। ২০০৬ সালে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী ছিলেন।জমি আন্দোলনের সময়ও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামদল ভেঙে তৃণমূলে নেতা-কর্মীদের আনার কাজও মুকুল রায়ের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় জাহাজ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।কিছু বছর পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। তবে ২০২১ সালে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেও মূল রাজনীতির মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। মুকুল রায় ছিলেন যে কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের চাণক্য, তা চলে গেলেও স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দল ছাড়ছেন দীপ্সিতা? সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাম রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর তাঁর দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ এখনও না করায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ থেকেই এই দূরত্ব, আবার কেউ বলছেন বিষয়টি সম্পূর্ণই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। যদিও দীপ্সিতা নিজে সমস্ত জল্পনাকে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন সদস্যপদ নবীকরণের জন্য মার্চ মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে।দলীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ সদস্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন। আবেদন প্রথমে জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হয়। তবে দলীয় সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও দীপ্সিতার নবীকরণ হয়নি। এদিকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ঘোষণা সামনে থাকায় আপাতত সংগঠনের কাজের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে তিনি আদৌ সদস্যপদ চালিয়ে যেতে চান কি না।দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনার সময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এ থাকাকালীন দলের সদস্য হন এবং সেই সূত্রে তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ দিল্লিতেই হওয়ার কথা। তাই রাজ্যে নবীকরণ না হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সময় শেষ হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে অযথা জল্পনা ছড়ানো হচ্ছে। তবে মার্চের মধ্যে নতুন করে ফর্মে সই করবেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতীক উর রহমান এর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দলের সমালোচনা মানেই দলবিরোধী অবস্থান নয়। এতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইদানিং দলীয় কর্মসূচিতে দীপ্সিতাকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিতর্কসভা ও মিছিলেও তাঁর উপস্থিতি কমেছে। ২০২৪ সালে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজয়ের পর কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে একই প্রজন্মের নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি করে চলেছেন। দীপ্সিতার এলাকাতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দীপ্সিতা? নাকি সবটাই সাময়িক দূরত্ব? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজনীতি

‘৭–৫ নয়, ১২–০ চাই’— বাঁকুড়াকে বিজেপি-শূন্য করার রণসংকল্পে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

পাঁচ বছর আগের ঘাটতি মিটিয়ে বাঁকুড়াকে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের দখলে আনতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় আয়োজিত রণ সংকল্প সভা থেকে সেই লক্ষ্যই স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সোজাসাপ্টা বার্তা রাজ্য জয়ের পর এ বার বাঁকুড়ার ১২টি বিধানসভা আসনেই জয় চাই, কোনও রকম আপস নয়।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২টি আসনের মধ্যে মাত্র চারটিতে জিততে পেরেছিল তৃণমূল। বাকি আটটি চলে গিয়েছিল বিজেপির দখলে। ২০১৯ সাল থেকে জেলার দুই লোকসভা আসনই বিজেপির হাতে থাকলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখল করে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে শাসকদল। তবে এখনও শালতোড়া বিধানসভা বিজেপির দখলেই। সেই কারণেই রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্র থেকেই বিজেপি-শূন্য বাঁকুড়া-র ডাক দেন অভিষেক।সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ২০২১ সালে আপনারা আমাদের চারটি আসন দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে লোকসভায় চার থেকে ছয়ে পৌঁছেছি। এখন তৃণমূল ছয়, বিজেপিও ছয়। কিন্তু এ বার দুটি ছয় মেরে ১২০ করতে হবে। স্পষ্ট করে দেন, ৭৫ বা কাছাকাছি ফল মানা হবে না, পূর্ণ জয়ই লক্ষ্য।বাঁকুড়া জেলার রাজনৈতিক বাস্তবতাও তুলে ধরেন অভিষেক। জেলার মোট ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কিছু অংশ অন্য জেলার লোকসভা এলাকায় পড়লেও ভোটের অঙ্কে বাঁকুড়া বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালের পর থেকেই সংগঠনের দুর্বলতা শুরু হয়েছিল বলে কার্যত স্বীকার করেন তিনি। তবে ২০২৪ সালে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখলের মাধ্যমে রুপোলি রেখা দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতা।বক্তৃতায় খানিকটা অভিমানও ধরা পড়ে তাঁর গলায়। প্রত্যাশিত ভোট না পেলেও বাঁকুড়াবাসীর জন্য রাজ্য সরকার যে লক্ষ্মীর ভান্ডার, পানীয় জল প্রকল্পসহ নানা সামাজিক প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে, তা মনে করিয়ে দেন অভিষেক। খাদান শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিয়েও আশ্বাস দেন তিনি। জানান, আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ থাকা পাথর খাদানগুলি চালু হলে অন্তত ২৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ৩১ মার্চের আগেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র বাংলার প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে, যার মধ্যে বাঁকুড়া জেলার প্রাপ্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ ছাড়া হলে জেলার উন্নয়নে গতি আসত বলেও দাবি করেন তিনি।বিজেপির বিরুদ্ধে রিপোর্ট কার্ড রাজনীতির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, আমরা আমাদের কাজের হিসাব নিয়ে মানুষের কাছে যাব। বিজেপি কী করেছে, তার রিপোর্ট কার্ড নিয়ে ওদের মাঠে নামতে হবে। পাশাপাশি বিজেপি জিতলে বঞ্চনা ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত, আর তৃণমূল জিতলে অধিকার ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।বাঁকুড়ার সভামঞ্চে র্যাম্পে ঘুরে কর্মী-সমর্থকদের অভিবাদন জানিয়ে অভিষেক বুঝিয়ে দেন আসন্ন নির্বাচনে বাঁকুড়া দখলই তৃণমূলের অন্যতম বড় রাজনৈতিক লক্ষ্য। এখন দেখার, এই ১২০ রণহুঙ্কার বাস্তবে কতটা সফল হয়।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

'২৬-এর নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম থেকেই লড়বেন মমতা? BJP নেতার দাবি জোর চর্চায়!

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ২০২৬-এর বিধানসভা ভোট। নন্দীগ্রামের রাজনীতি আবারও সরগরম। গতবছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর কঠিন লড়াইয়ে নন্দীগ্রাম হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান। যদিও এবার ভোটে কিছুই নিশ্চিত নয়, কিন্তু সময় পেরোতেই মঞ্চ সাজাতে শুরু করেছেন দুই পক্ষের অনুগামীরা।গত নির্বাচনের পর তৃণমূলের অভিযোগলোডশেডিং করে ভোট কারচুপিএখনও বিচারাধীন। সেই মামলার ফলাফল না এলেও, নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছে। প্রশ্ন জাগেকি এবারও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই নামবেন?তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কৌশলের বাইরেতমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রলয় পাল দাবি করেছেন, ২০২৬-তেও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেই সঙ্গে তিনি BJPর জয়ী হওয়ার চ্যালেঞ্জ দিয়ে রেখেছেন।বিপরীতে, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের TMC সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ দাবি করেছেন, দলের মনোনয়ন বিষয়ে শুধু দলই জানে। তবে তিনি নিশ্চিতশুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রাম থেকে আসন ছাড়বেন। তার যুক্তি, শুভেন্দুর নিজের বুথ তালিতায় তৃণমূল জিতেছে, লোকসভা ক্ষেত্রেও তিনি তৃণমূলকে ৪১২ ভোটে এগিয়ে রেখেছেন, আর পঞ্চায়েত সমিতিতেও প্রায় ২৫০০ ভোটের লিড দিয়েছেনএসব তথ্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন, শুভেন্দুর এখন নন্দীগ্রামে যা শক্তি সেটা তৃণমূলের পক্ষেই যাবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজনীতি

Babul-Modi: 'বাঙালির ওপর ভরসা নেই মোদির', ৭ বছর পর বোধদয় বাবুলের

ভবানীপুর উপনির্বাচনের ঠিক আগের দিন বাঙালি বিরোধী তত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয়। বাবুলের স্পষ্ট কথা, বাঙালিদের প্রতি ভরসা নেই নরেন্দ্র মোদির। রাজনৈতিক মহলের অভিমত, ৭ বছর মন্ত্রিত্বে থাকার পর এখন বোধহয় হয়েছে বাবুল সুপ্রিয়ের। ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন, যাঁরা বেইমানি করেন তাঁরা এইসব কথা বলতে পারে।দিল্লি থেকে ফিরে বুধবার তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ৭ বছরে কোনও বাঙালি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা পায়নি। পূর্ণ মন্ত্রী তো নয়ই, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত দফতরও পাননি কোনও বাঙালি। আসলে প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের ওপর ভরসা করছেন না। বাবুলের এই মন্তব্যের পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বাবুলের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। অর্জুন বলেছেন, দলে এসেই ৭ বছরের জন্য মন্ত্রী হয়েছেন। তারপর তিনি এসব কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে আঙুল তুলছেন। বেইমানরা এমন কথা বলতে পারেন।২০১৪-তে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন গায়ক বাবুল। তারপর তাঁকে মন্ত্রী করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে সাংসদ হওয়ার পর ফের মন্ত্রী হয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল করা হয়েছিল। সেই রদবদলে বাবুল সুপ্রিয়, দেবশ্রী চোধুরীকে সরতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে। এরপরই রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। জানিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলেও তিনি যোগ দেবেন না। একথা বলার কিছু দিনের মধ্যেই আকস্মিক বাবুল যোগ দেন ঘাসফুল শিবিরে। ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠকও করেন। তখনও এই বাঙালি বিরোধী তত্ব খাড়া করেননি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ৭ বছর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বে ছিলেন। তারপর সরিয়ে দেওয়ার পর দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। এখন বাঙালির মন্ত্রিত্ব না পাওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন। রাজনীতিতে টিকে থাকার তাগিদে দলবদল করলেই সুর বদলও করতে হয়।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'বাংলার জন্য আমি অ্যাভেলেবল আছি'

তিনি এখন সদ্য প্রাক্তন হলেও বাংলার জন্য সবসময়ই আছেন, থাকবেনও। বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বুধবার সকালে আর ৫টি দিনের মতো ইকো পার্কে শরীর চর্চা করতে আসেন দিলীপ ঘোষ। বাংলায় এবার তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁর স্পষ্ট জবাব, আমি অ্যাভেলেবল আছি।এদিন দিলীপ বলেন, রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্তরা যেভাবে আমাকে কাজে লাগাবে, আমি থাকব। একইভাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সেইভাবে কাজ করব। এবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে বেশী সময় দিতে চাই। প্রদেশ সভাপতির দায়িত্বে থাকায় সারা রাজ্য ঘুরতে হত, তাই মেদিনীপুরে বেশী সময় দেওয়া হত না। সেখানে বন্যা হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণের কাজ শুরু করেছি। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গ বিজেপির একটা বড় অংশ দিলীপ ঘোষকে খুবই মিস করবেন। বিরোধীদের আক্রমণের যে পদ্ধতি তিনি অবলম্বন করে এসেছেন তা নানা সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি করলেও একপ্রকার ইউনিকও বটে। দিলীপের এই শূন্যস্থান কেউই পূরণ করতে পারবেন না। তবে পদে না থেকেও তিনি বাংলায় বহাল তবিয়তে যে থাকবেন তা বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন। দিলীপ নিজেও বলেছেন, প্রয়োজনে তাঁকে ডাকলে তিনি বাংলার জন্য সবসময়ই আছেন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Jago Bangla: ২১ জুলাই থেকে দৈনিক হচ্ছে তৃণমূলের মুখপত্র

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র জাগো বাংলা দৈনিক আকারে প্রকাশিত হতে চলেছে। ২১ জুলাই শহিদ দিবসের দিন নবরূপে জাগো বাংলার আত্মপ্রকাশ করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার এক টুইট বার্তায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নবরূপে জাগো বাংলার প্রকাশের কথা ঘোষণা করেছেন।২০১৫ থেকে তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলা সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশ শুরু হয়। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল মানুষের জনসমর্থন পেয়ে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতাসীন হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার দলের সংবাদপত্রও সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক হচ্ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে লিখেছেন, প্রথম থেকেই এই পত্রিকা বাংলার মানুষের মনের কথা তুলে ধরছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টিভঙ্গীর কথা অবিচল ভাবে তুলে ধরে বাংলার মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছে। এবার এই পত্রিকা নবকলবরে প্রকাশ হবে।Jago Bangla has resonated with the people of #Bengal ever since its inception. Delivering the vision of @MamataOfficial it has steadily made its way into the hearts of people pan-state.As @jago_bangla gets a fresh make over, stay tuned to find out more!#NaboRupeJagoBangla Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 10, 2021এখন জাগো বাংলার সম্পাদক তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দৈনিক সংবাদপত্রের মতোই এই কাগজে দেশ-বিদেশ, রাজ্য, খেলা সমস্ত বিষয়ই স্থান পাবে। এছাড়া দলের কর্মসূচিও থাকবে এই সংবাদপত্রে। বিশেষ করে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প তুলে ধরা হবে। এরাজ্যে সিপিএমের মুখপত্র হিসাবে প্রকাশিত হয়ে আসছে গণশক্তি পত্রিকা। ২০১১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে সাধারণের মধ্যে গণশক্তির জনপ্রিয়তাও যথেষ্ট কমে যায়।এবারেও ২১ জুলাই ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই তিনি নবরূপে জাগো বাংলার সূচনা করবেন। ইতিমধ্যে সোশাল মিডিয়ায় পত্রিকার প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, মুখপত্র দৈনিক প্রকাশ হওয়ার ফলে জনসংযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজনীতি

BJP on Mukul Roy: মুকুলের যাওয়াকে আমল দিতে নারাজ বিজেপি

বিজেপির (BJP) ব্যাপ্তি সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে। মুকুল রায় চলে গেলে তাতে কিছু আসবে যাবে না। শুক্রবার মুকুলের তৃণমূল-যোগের পর এমনটাই বললেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, মুকুলবাবুকে আমরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি তাঁর নতুন ইনিংস শুরু করার জন্য। তিনি পুরনো দলে নতুন ইনিংস শুরু করতে গিয়েছেন। রাজনৈতিক পটভূমিকাতে এর বিচার ভবিষ্যতে হবে।২০১৭ সালের নভেম্বরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। ২০২১-এর জুনেই পুরনো দলে ফিরে গেলেন তিনি। এই মুকুল রায়কে সামনে রেখে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ঘুঁটি সাজিয়েছিল গেরুয়া শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুকুলই ছিল মোদি-শাহের তরুপের তাস। শাসকদল ভেঙে একের পর নেতাকে বিজেপির দিকে টেনেছিলেন মুকুল রায়ই। বিধানসভা ভোটের আগেও শাসক শিবিরে বেশ হইচই পড়ে গিয়েছিল দলবদলের পালা ঘিরে।কিন্তু ভোট মিটতেই উল্টো স্রোত বিজেপির অন্দরে। ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি গোছের ভাব করে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন দলবদলুরা। বিজেপি অবশ্য প্রথম প্রথম বলেছে, লাভের আশায় এসেছিল, সে গুড়ে বালি পড়ে যাওয়ায় চলে যেতে চাইছে। সোনালি গুহ, সরলা মুর্মু কিংবা দীপেন্দু বিশ্বাসদের ক্ষেত্রে এ ধরনের মন্তব্য করে সহজেই ঝেড়ে ফেলা গিয়েছে। কিন্তু মুকুল রায়ের প্রসঙ্গে বিজেপি সাবধানী। সূত্রের খবর, কেন্দ্র থেকে কড়া নির্দেশ এসেছে, মুকুলকে নিয়ে খুব বেশি কথা বলার দরকার নেই। এদিন মুকুল রায়ের দলত্যাগ প্রসঙ্গে জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, মুকুলবাবু পুরনো দলে নতুন ইনিংস শুরু করতে গিয়েছেন। উনি বর্ষীয়ান নেতা। বাংলার রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। তাঁকে আমরা নতুন ইনিংসের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। একইসঙ্গে জয়প্রকাশের মন্তব্য, দেশে সর্ববৃহৎ দল বিজেপি। পৃথিবীতে এত বড় রাজনৈতিক দল নেই। ধারে কাছেও নেই কেউ। আমরা ৩০৩ জন নিয়ে কেন্দ্র শাসন করছি। বহু রাজ্যে আমাদের শাসন চলছে। সদ্য সমাপ্ত ভোটে আমরা তিন থেকে ৭৭ হয়েছি। আমরা বলেছিলাম, ভেবেছিলাম, এই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আমরা আসব। অভীষ্টতে পৌঁছতে পারিনি। তবে আমাদের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গ হারিয়ে গিয়েছে তা তো নয়! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল বাংলা শাসন করছিল, সেটাই চলছে। তাঁদের জন্য নতুন কোনও অ্যাচিভমেন্ট হয়নি।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যে বিজেপিতে বিধায়ক ২৭জন!

এই মূহুর্তে বিজেপির মোট বিধায়কের সংখ্যা কত? সংখ্যাটা শুনলে হিসেব গুলিয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দল থেকে যোগ দেওয়ার পর এরাজ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭-এ। যোগদানকারীদের মধ্যে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন। তবে সব থেকে বেশি বিধায়ক এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। এছাড়া রাজ্যের তিনজন প্রাক্তন মন্ত্রী যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপি মাত্র ৩ আসনে জয় পেয়েছিল। খড়্গপুর থেকে জয় পান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় দিলীপ ঘোষকে। তখন বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়ায় দুইয়ে। তারপর ২০১৯ উপনির্বাচনে আরও ৪ আসনে জয়লাভ করে পদ্মশিবির। মোট বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৬-এ। উল্লেখ্য, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এখন সেই দলে রয়েছে মোট ২৭ জন বিধায়ক। আর দুজন প্রাক্তন বিধায়ক। শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁরা প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও পরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।তৃণমূল থেকে ১৫জন বিধায়ক এসেছেন পদ্মশিবিরে। কংগ্রেস থেকে ৩জন। ২জন সিপিএম থেকে ও সিপিআইয়ের ১ জন। এর মধ্যে দিপালী বিশ্বাস সিপিএম থেকে ভায়া তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কংগ্রেসের দুলাল বর তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দলে যোগদান করে এখন বিজেপির বিধায়ক ২৭ জন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় কীনা সেটাই দেখার।কংগ্রেস এখনও বিধানসভায় বিরোধী দল। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক লিখিতভাবে কংগ্রেসে থাকলেও তৃণমূল ও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যে এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা কত? তা বলতে হিমসিম খাবে রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলে একদিকে যেমন অন্য দল থেকে বিধায়ক এসে যোগ দিয়েছে, ঘাসফুল থেকেও একটা অংশ বিজেপিতে গিয়ে ভিড়ছেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দলে গিয়ে বদহজম হচ্ছে শুভেন্দুর, কটাক্ষ পার্থর

শুভেন্দু অধিকারী আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুক্রবার কাঁথিতে দাদার হাত ধরে দলে যোগ দিলেন কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারী। এদিন একই সঙ্গে আরও ১৪ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে সামিল হন। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন দলের নতুন নেতা হয়ে নতুন ভাবে ভাবছেন। রামের টিকিটে জিতব করবো বিজেপি, এমন কথা যাঁরা বলতে চান সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের নিশ্চয় অভিজ্ঞতা আছে! তবে এসব চটুল কথায় রাজনীতিতে স্থান পাওয়া যায় না। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন হরিশচন্দ্র চ্যাটার্জী এবং হরিশ মুখার্জি রোড থেকে দেড় জন লোক বাংলা চালাচ্ছে। এই প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২১ বছর পর মনে হল। সূর্য উদয় হল। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয় এঁদের মাথা ঠিক আছে তো! অতীত ভুলে গেলে হয় না। মেদিনীপুরের মানুষ মমতার সঙ্গে আছে। মেদিনীপুরের মানুষ সংগ্রাম বোঝে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগ্রাম করেছে। নতুন দলে গেছেন তাই বদহজম হচ্ছে বলে মন্তব্য় করেন পার্থবাবু।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির সঙ্গে কী 'ডিল' হয়েছে শুভেন্দুর? নিজেই জানালেন বিস্তারিত

পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরানোর তিন দিনের মাথায় দাদার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন সৌমেন্দু অধিকারীসহ কাঁথি পৌরসভার ১৫ জন কাউন্সিলর। শুক্রবার কাঁথির ডরমেটরি ময়দানে বিজেপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান পর্বে শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য প্রশাসক থাকতে পারেন, তাহেরপুরে সিপিএমের প্রশাসক থাকতে পারে কাঁথিতে শুভেন্দু ভাই আছে অর্থাৎ তাঁকে সরিয়ে দাও। রামনগরের লোককে এনে কাঁথিতে পুরপ্রশাসক করা হয়েছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে শুভেন্দুর ডিল নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সেই ডিল-এর জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে ডেপুটি চিফ মিনিস্টার, বাবাকে রাজ্যপাল, ভাইকে মন্ত্রী এমন নানা বিষয় বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করে আসছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর সঙ্গে ডিল হয়েছে, প্রথমত প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষা হবে। নিয়োগ করতে হবে। টেট পরীক্ষা হবে প্রত্যেক বছর। ২-৪ হাজার টাকা মাইনের চাকরি থাকবে না। এখানে আয়ুস্মান ভারত চালু করা হবে। কৃষকরা ৬০০ টাকা পাবে। রাজ্যে সুশাসন আসবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, সব ডিল কি বাইরে প্রকাশ পায়। এদিনও হরিশ চ্যাটার্জি ও হরিশ মুখার্জি রোড থেকে বাংলা চলতে পারে না বলে তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর মতে, উত্তর কলকাতার বাটখাড়া মন্ত্রী, হাওড়া অবহেলিত।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ শুভেন্দু অধিকারীর

নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছেন। ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অমিত মিত্রকও আক্রমণ শানাতে ছাড়েননি। শেষমেশ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ৭ জানুয়ারির বদলে ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু। জবাব দেবেন মমতার সভার। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এদিন প্রথম কাঁথিতে মিছিল ও সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। ভিড়ে ঠাসা ছিল মিছিল দাবি করেছে বিজেপি। এদিন শুভেন্দু একের পর এক তির ছুড়তে থাকেন। শুভেন্দু বলেন, মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী বলছেন শুভেন্দুর মুখে পরিবারতন্ত্র বলা মানায় না। আরে মাননীয় মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী আমি আপনার জামাইকে বলিনি তৃণমূলের যুব নেতা। লাল চুল, কানে দুল তার নাম যুবা তৃণমূল। আমি তাঁর কথা বলিনি। সৌগত রায়ের দাদা আমাদের বড় নেতা, প্রাক্তন রাজ্যপাল। আমি তাঁর কথাও বলিনি। আমি বলেছি কয়লা চোর, বালি চোর, পাথর চোর, গরুপাচারকারী ভাইপোর কথা। আবার চাকরি দিতে পারেনি পাউচ বিক্রি করার ব্যবস্থা করেছেন অর্থমন্ত্রী, বলেছেন শুভেন্দু। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেননি শুভেন্দু। এদিন কাঁথির সভায় তৃণমূলনেত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণও করেছেন তিনি। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী বলেন, আপনি ৭জানুয়ারী, ১৪মার্চ, ১০ নভেম্বর কোনও দিন আসেননি। কাল টিভিতে দেখলাম আপনি আসছেন। আপনি এলে রাস্তা সারাবে। আমার জেলার লাভ হবে। আমি ৭ তারিখে প্রতিবছর আমি যাই। এবার ওই দিন বড় কর্মসূচি নেব না। ৭ তারিখ আসছেন, ভাল কথা মোস্ট ওয়েলকাম। এতদিন আসেননি। আসুন। আমি যা যা বলতে আসছেন আমি জানি। ১০০০টা শুভেন্দু তৈরি হয়। কে ওটা, কী হবে। শুভেন্দুকে কাউন্টার করতে হাটবারে হাটবারে চারটা-পাঁচটা পুলিশের পাইলট কার নিয়ে জোড়া জোড়া মন্ত্রী। শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জ, ৭ তারিখে আসুন, ভাষন দিন। আমি ৮ তারিখে সভা করা আপনার সব কথার জবাব দিয়ে দেব। আমি শৃঙ্খলাপরায়ন লোক। আমি আজই কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জানিয়েছি নন্দীগ্রামে ৮ তারিখ সভা হবে। উনি সরকারি ক্ষমতায় লোক আনবেন, আমি আবেগ-ভলবাসায় লোক আনব। শুভেন্দু এদিন একাধিকবার ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, উপনির্বাচনে টিকিট পায়নি বলে তৃণমূলনেত্রীর বাড়িতে ঢিল মারতে গিয়েছে। আমফানের পর কলকাতার লোক বুঝে গিয়েছিল কী তাঁর যোগ্য়তা। গ্রামের সঙ্গে লড়াই দক্ষিণ কলকাতার চার-পাঁচটা লোকের। ৪০ টা দফতর ওই চার-পাঁচটা লোকের। শুভেন্দুর ঘোষণা, গোপীবল্লভপুরের দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু হাত মিলিয়েছে। যেতে তোমাদের হবেই। পদ্ম ফুটিয়ে ঘুমাতে যাব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার

শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হল। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সম্পাদক কণিষ্ক পন্ডাকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সেই নির্দেশ তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বকে জানিয়ে দিতে বলেছেন। রবিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কণিষ্ক পন্ডা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিগত কয়েকদিনে একাধিকবার শুভেন্দুর পাশে থাকার কথা বলেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এই তৃণমূল নেতা। শুধু তাই নয়, শুভেন্দুকে সমর্থন করে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কনিষ্ক। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ এই নেতা। শেষমেষ দল তাঁকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল। ইতিমধ্যে রাজ্যের একাধিক তৃণমূল বিধায়ক, নেতা নানাভাবেই শুভেন্দুকে সমর্থন করে বক্তব্য পেশ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী দলে না থাকলে দলের সমূহ ক্ষতি হবে। যদিও সেই সব নেতাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে যেভাবে দলের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করছে তাতে দলের বিপদ ক্রমশ বাড়ছে। বিভ্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূলের নীচুতলার নেতা-কর্মীরা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার?

বাঁকুড়া সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার তাঁর বাঁকুড়া সফরে সঙ্গী ছিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার দলনেত্রী নিয়ে গিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলাও করে সরকারি বিজ্ঞাপনে তাঁর নামও ছাপা হয়েছে। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর সঙ্গে বাগযুদ্ধ চলছে শুভেন্দুবাবুর। তাঁর মতো জননেতাকে কল্যাণের বিলো দ্য বেল্ট লাগাতার আক্রমণ ভালোভাবে নিচ্ছেন না তৃণমূলের অনেকেই। বিশেষ করে যখন সৌগত রায়ের আরও একবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা। শুভেন্দুবাবু দলনেত্রী সম্পর্কে কিছু বলেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেননি। তবে গাড়ি বা হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গীদের দেখে অনেক বার্তা বোঝা যায়। কল্যাণকে সঙ্গে নিয়ে জেলা সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিলেন তা নিয়েই চর্চা চলছে।আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যমরবিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দলের অনেকেই দোদুল্যমান। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার উপর না থাকলে কার কত দম সেটাও বোঝা যাবে গোছের নাম না করে একটা বার্তা দেন তৃণমূল মহাসচিব। তারপরেই মমতা-কল্যাণ বাঁকুড়ায়। প্রশ্ন উঠছে, কল্যাণ যে শুভেন্দুবাবুকে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন (যা নিয়ে শেরপুরের সভায় নাম না করে কল্যাণকে অনিল বসুর সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন রাখেন, এই কালচার আপনারা সমর্থন করেন?), তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করছেন? অভিজ্ঞমহলের মতে, নীরবতা এমনিতেই সম্মতি লক্ষ্মণ। সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করেনি দল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তৃণমূল শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চাইছে?আরও পড়ুন- বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরশুভেন্দুবাবুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দুটো লোকসভা আসনে হারে তৃণমূল। শুভেন্দুবাবু কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তৃণমূলের যে ঢাকিশুদ্ধ বিসর্জন হবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত। বিভিন্ন জেলা থেকেও তেমন ভাঙনের আভাস মিলছে। অনেকে বলছেন, দিদির ম্যাজিক যদি থাকত তাহলে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ ২২-এ থমকাতো না। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভোটের ফলের চাবিকাঠি থাকবে পান্তা খাওয়া, গামছা পরা গ্রামের ছেলে নন্দীগ্রামের বিধায়কের হাতেই।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
সম্পাদকীয়

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে, মানা হচ্ছে না করোনার বিধিনিষেধ, আশঙ্কার মেঘ

করোনা পরিস্থিতিতে এ রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনও লাগাম নেই। এক্ষেত্রে ডান- বাম সবারই ভূমিকা সমান। তৃণমূল ও বিজেপি প্রতিযোগিতা করে ভিড় বাড়াচ্ছে। হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ হচ্ছে। না আছে মাস্ক, না আছে দূরত্ব বিধি। এত মানুষের সমাবেশে দূরত্ব বিধি মানার অর্থ সোনার পাথরবাটি ছাড়া কিছুই না। কর্মসূচি ঘোষণার সময় বলছে করেনা আবহে সমস্ত বিধি মেনে কর্মসূচি পালন করব। কার্যত তা লবডঙ্কা। তবে এর ফল ভোগ করতে হতে পারে আপামর বাঙালিকে। তৃণমূল, বিজেপি এবং বাম- কংগ্রেস নিজেদের শক্তি মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে। সরকার অনবরত নানা বিধিনিষেধের কথা বলছে। বিহার বিধানসভার নির্বাচনে একাধিক নয়া আইন লাগু হচ্ছে। এ রাজ্যে নির্বাচন হতে এখনও ৭মাস বাকি। কিম্তু নিয়ম- বিধি না মেনে এরাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে। সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। সরকারই বা কী করছে? সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি হলে কেন এই বিপজ্জনক কর্মসূচি চলছে? আসলে লক্ষ্য ২০২১ বিধানসভা। ক্ষমতা দখলই যেখানে মূল উদ্দেশ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে বাবে বল্গাহীন ভাবে কর্মসূচি চলছে তাতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থেকেই যাছে। এখনও সচেতন নাহলে বিপদে পড়বেন সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সব দলেরই লাগাম টানা প্রয়োজন। রাজনীতিও তো মানুষের জন্য। তাহলে বিপদ বাড়ানোর জন্য এমন প্রতিযোগিতা কেন? বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়তে শুরু করেছে। পুজোর কেনা-কাটা করতে দোকান-বাজারেও ক্রমশ ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। সামনেই আবার দুর্গাপুজো। মন্ডপে মন্ডপে উপচে পড়়বে মানুষের ঢল। চিকিতসকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কেরলের পরিস্থিতি উপলব্ধি করেই এখন সকলের সচেতন হওয়ার প্রয়োজন। তা নাহলে আশংকার মেঘ বাস্তবায়িত হতে সময় নেবে না। তখন সব কিছু হাতের বাইরে চলে যাবে।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর হুমকির পাল্টাতেই কি উত্তপ্ত মল্লারপুর?

বিজেপিকে মেরে হাত, পা ভেঙে দেওয়ার নিদান গত জুলাই মাসের এক দলীয় সভায় দিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সম্প্রতি অনুব্রতর ওই উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই ঘটনার রেশ ধরেই কি পাল্টা প্রতিরোধে সরগরম বীরভূমের মল্লারপুর? বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত কর্মী। ওই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়ূরেশ্বর ১ নং ব্লকে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের শিব গ্রাম মোড়ে৷ এই পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে এলেও দীর্ঘ ১৫ বছর এটি বিজেপির দখলে ছিল। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮.৩০ মিনিটে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে জিআরএস পদে কর্মরত অভিজিৎ গড়াই সরকারি নির্দেশমতো টাওসিয়া গ্রামে বাংলা আবাস যোজনার জিও ট্যাগ করতে যান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক এসে গালিগালাজ করেন, কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বেপরোয়া লাথি, ঘুষি। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে অভিজিৎ বাবু মল্লারপুর থানায় অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মী সুশান্ত দে, দীপ কুণ্ডুর নামে। এই অভিযোগের জেরে বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত দে-কে মুক্তির দাবিতে মল্লারপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মল্লারপুর থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ চলায় রাস্তা বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে। এদিকে, ধৃত বিজেপি নেতাকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

বুকে শুভেন্দুর ছবি, সমাজসেবায় 'দাদার অনুগামী'রা

জেলায় জেলায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আদর্শে দীক্ষিত আমরা দাদার অনুগামী-র সদস্যরা বুকে শুভেন্দুবাবুর ছবি লাগিয়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর আমরা দাদার অনুগামী-র কর্মসূচি পালিত হলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরায়। পথচলতি মানুষ, পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে বিতরণ করা হলো মাস্ক, গ্লাভস, সাবান, স্যানিটাইজার ইত্যাদি। মোট ১৫০০ মাস্ক, ১০০০ পিস সাবান এবং ২০০ পিস গ্লাভস বিতরণ করা হয় দেবদীপ অধিকারী(বিলু), সহরব আলি, সুদীপ দাসদের উদ্যোগে। করোনা সচেতনতামূলক প্রচারও চালানো হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বদলে যাচ্ছে ‘বাংলার বাড়ি’র নাম! আগামীকালই বড় ঘোষণা, লক্ষ লক্ষ পরিবারে ঢুকবে টাকা

রাজ্যের আবাসন প্রকল্পে বড় পরিবর্তনের পথে সরকার। এতদিন যে প্রকল্প বাংলার বাড়ি নামে পরিচিত ছিল, সেটির নাম বদলে পশ্চিমবঙ্গ আবাস করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নতুন নামের এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবেন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে প্রায় দশ লক্ষ পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাঠানো হবে। এই প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের জন্য মোট এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার কথা। এর মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। এবার নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাবেন।সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রথম কিস্তির অর্থ ব্যবহার করে বাড়ির লিন্টন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করেছেন, শুধুমাত্র তাঁরাই এই পর্যায়ে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সমস্ত নথি ও নির্মাণের অগ্রগতি যাচাই করার পরেই টাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, যাঁরা এখনও বাড়ির নির্মাণ নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত শেষ করতে পারেননি, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।সরকারি সূত্রের দাবি, উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাচাই প্রক্রিয়ায়। প্রকৃত যোগ্যদের কাছেই সরকারি অনুদান পৌঁছে দিতে একাধিক স্তরে নথি পরীক্ষা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সম্পূর্ণ যাচাইয়ের পরেই অর্থ ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে বহু পরিবারের বাড়ি তৈরির কাজ ফের গতি পাবে বলে মনে করছে প্রশাসন। একই সঙ্গে নতুন নামে আবাস প্রকল্প চালুর মধ্য দিয়ে রাজ্যের আবাসন কর্মসূচিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরে ফিরবই! আবেগঘন বার্তায় বড় ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

দেশ ছাড়ার দুই বছর পর প্রথমবার সাংবাদিকদের উদ্দেশে অডিয়ো বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঠিক কোন দিনে ফিরবেন, তা পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা।অডিয়ো বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নাড়ির টান। গত দুই বছরে দেশের পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর দাবি, যে আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেটি শুধুমাত্র ছাত্র আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে সেই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।সরকার পতনের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেছে এবং সেই পদক্ষেপকে অপরাধ বলা যায় না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত পরবর্তী সরকার বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনার দাবি, আন্দোলনের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সাংবাদিক এবং মুক্তিযোদ্ধারাও নানা ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আবেদন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, জেলেও যেতে হলে তিনি প্রস্তুত। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নয়, দেশের মানুষের কাছেই ফিরতে চান তিনি।ভারতে থাকার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত সরকার তাঁকে যথেষ্ট সম্মান ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশ বলেই উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর কথায়, শেষ পর্যন্ত নিজের দেশেই ফিরতে চান তিনি এবং সেই লক্ষ্যেই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আমতলার অফিস কি আপাতত নিরাপদ? অভিষেকের মামলায় হাই কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত

আমতলায় দলীয় কার্যালয় ভাঙার মামলায় ফের স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্ট আমতলার ওই কার্যালয় ভাঙার উপর দেওয়া অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আগামী একুশে আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, আগামী আঠারোই আগস্ট দুপুর দুটোর সময় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বৈধ নির্মাণ পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া কার্যালয় তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে প্রশাসন ভাঙার কাজ শুরু করেছিল। ঘটনাস্থলে বুলডোজার নামিয়ে কার্যালয়ের একাংশও ভেঙে ফেলা হয়। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা। জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হলে আদালত প্রথমে ভাঙার কাজের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়। সেই নির্দেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বুধবার আদালত তা বাড়িয়ে একুশে আগস্ট পর্যন্ত বহাল রাখল।এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে আগেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, যে জমিতে কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, তা একটি বেসরকারি সংস্থার নামে কেনা। সেই সংস্থার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে বলেও প্রশাসনের দাবি। পরপর নোটিসের জবাব না মেলায় প্রশাসন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তকেই আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা।আদালতে শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী দাবি করেন, যে অংশ ভাঙা হয়েছে, সেটি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্পত্তি নয়। দাগ নম্বরের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাঙা অংশ অন্য জমির অন্তর্গত। তাই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আইনজীবীর দাবি, যথাযথ নোটিস না দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে। অভিযোগে কী বলা হয়েছে, কোন নথির ভিত্তিতে নির্মাণকে বেআইনি বলা হয়েছে, সেই তথ্যও দেওয়া হয়নি। এমনকি নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে আদালতে দাবি করা হয়।দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একুশে আগস্ট পর্যন্ত ভাঙার কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন সকলের নজর আগামী আঠারোই আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতের পর্যবেক্ষণের উপরই নির্ভর করবে এই মামলার পরবর্তী পথ।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

সত্যিই কি এত ভয়? বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা, বড় পদক্ষেপ পাকিস্তানের

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলা আন্দোলন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং দমন-পীড়নের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল পাকিস্তান সরকার। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি অনুমতি ছাড়া দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় কোনও বিদেশি সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক খবর সংগ্রহ করতে পারবেন না।পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নিয়ম আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে আগে সরকারি নিবন্ধন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পরেই তারা নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করার সুযোগ পাবেন।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি সাংবাদিক কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন এবং কী ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করছেন, তার উপরও নজর রাখা হবে। বিশেষ কিছু এলাকায় প্রবেশের জন্য আলাদা অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট এবং একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।এর মধ্যেই পাক সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তুলে তাদের কার্যত নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি, ওই সংবাদমাধ্যম ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে বিকৃতভাবে তুলে ধরেছে।তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ইসলামাবাদ অস্বস্তিতে পড়েছে। সেই কারণেই বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর আরও কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ঘোষণা! এই তারিখ থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণার তিন হাজার টাকা, কারা পাবেন জানাল সরকার

অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। চলতি আগস্ট মাসের তিন হাজার টাকার কিস্তি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করিয়ে এই মাসের মধ্যেই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পনেরো আগস্টের পর থেকেই ধাপে ধাপে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হবে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করার সময় বহু ক্ষেত্রে ভুল তথ্য জমা পড়েছে। কোথাও ভুল নথি, কোথাও আবার ব্যাঙ্কের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তাই প্রত্যেকটি আবেদন বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে বিডিও স্তরে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই প্রকৃত উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃতভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরাই টাকা পাবেন। ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে বা যোগ্য না হয়েও আবেদন করলে কোনওভাবেই টাকা দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, যাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো অথবা যাঁরা করদাতা পরিবারের সদস্য, তাঁদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে না।সরকারের দাবি, অনেক আবেদনকারী নিজেরা আবেদন না করে অন্যের মাধ্যমে আবেদন করায় তথ্যগত ভুল হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের তথ্য সঠিকভাবে যুক্ত না থাকায় সমস্যাও তৈরি হয়েছে। সেই সব আবেদনও নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও যোগ্য মানুষ যাতে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সমীক্ষা করা হচ্ছে। সব তথ্য যাচাইয়ের পরই ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা পাঠানো হবে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলপড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে রক্ত সংগ্রহ! অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

দুর্গাপুরে নাবালক স্কুলপড়ুয়াদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগ, দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের তিন নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক রোগীর আত্মীয় পরিচয়ে তাঁদের রক্তদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের প্রকৃত বয়স পরিবর্তন করে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছিল।এই ঘটনার নেপথ্যে ওই স্কুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্রের নাম উঠে এসেছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে সে দুর্গাপুরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করে। অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্কুলের অধ্যক্ষা দেবযানী বোস জানান, বিষয়টি জানার পরই পুলিশকে সব তথ্য জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এজেন্টের মাধ্যমে নাবালকদের রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।অভিভাবকদের অভিযোগ, টাকার লোভ দেখিয়ে নাবালকদের রক্ত নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছেন। পুলিশকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা নাবালকদের প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যের রক্তভান্ডারগুলির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই প্লাজমা অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে এবং কোথাও কোথাও নাবালকদের কাছ থেকেও রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি নির্ধারিত মাত্রার চেয়েও বেশি রক্ত নেওয়ার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal